মাশরাফিদের দ্বিতীয় জয়

Share it Please
আল আমিনের হ্যাটট্রিকসহ ৫ উইকেট আগের দিন ১০৮ রানের পুঁজিকেও নিরাপদ করে তুলেছিল। টানা দ্বিতীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বরিশাল বুলস। কিন্তু কাল আর তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি আল আমিনের মতো কেউ।
৮৯ রানে অলআউট হওয়ার পরিণতি যা হওয়ার তাই হলো-কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ম্যাচ জিতে গেল ৮ উইকেটে। তবে লো স্কোরিং ম্যাচেরও প্রায় পুরো আয়ু পাওয়াটা এবারের বিপিএলের বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ম্যাচ জিততেও কুমিল্লাকে খেলতে হলো ১৮ ওভার পর্যন্ত!
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের পেসার নুয়ান কুলাসেকারা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন বরিশাল বুলসের ভিত্তি। টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন শাহরিয়ার নাফীস ও ব্রেন্ডন টেলরের উইকেট। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ২২ রান করা কেভন কুপারকেও এলবিডব্লু করে এই শ্রীলঙ্কানের বোলিং ফিগার ৩-১-৮-৩।
বরিশাল বুলসের ইনিংস অবশ্য তার আগেই নিবু নিবু। দলের ৮১ রানে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে কুপারের আউটের আগেই বাঁহাতি স্পিনার আসহার জাইদি, পেসার আবু হায়দার ও অফ স্পিনার সুনীল নারাইন মিলে সব অক্সিজেন শুষে নিয়েছিলেন তাদের। ১৬ রানে ৪ উইকেট নেওয়া জাইদি তো সাব্বির রহমান ও সেকুগে প্রসন্নকে পর পর দুই বলে ফিরিয়ে জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও।
৮৯ রান করতে বরিশাল খেলেছে ১৮.৩ ওভার। ম্যাচ জিতলেও কম যাননি কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরাও। মোহাম্মদ সামির দ্বিতীয় বলেই ইমরুল কায়েসের কাভার ড্রাইভে মারা বাউন্ডারিটা দেখে মনে হয়েছিল ম্যাচ শেষ করতে বেশি সময় নেবে না তারা। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, ততই শ্লথ হয়েছে কুমিল্লার ইনিংসের গতি। ব্যাটসম্যানদের রান-বলের হিসাবও সেটি বলবে। সর্বোচ্চ ৩১ রান করা মাহমুদুল হাসান খেলেছেন ৪৩ বল, মারলন স্যামুয়েলস ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন ৩৮ বল খেলে। তারপরও জয় জয়-ই। প্রথম ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হারের পর মাশরাফি বিন মুর্তজার দলের এটি টানা দ্বিতীয় জয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বরিশাল বুলস: ১৮.৩ ওভারে ৮৯ (শাহরিয়ার ৩, রনি ১৭, টেলর ০, মাহমুদউল্লাহ ৯, সাব্বির ১০, নাদিফ ৭, প্রসন্ন ০, কুপার ২২, তাইজুল ৩, সামি ৬, আল আমিন ০*; মাশরাফি ০/২২, কুলাসেকারা ৩/৮, নারাইন ১/২১, হায়দার ২/২১, জাইদি ৩/১৬)। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস: ১৮ ওভারে ৯০/২ (ইমরুল ১৩, মাহমুদুল ৩১ , স্যামুয়েলস ২৩*, শুভাগত ১২*; সামি ০/১১, আল আমিন ১/২৯, তাইজুল ০/১২, প্রসন্ন ০/১৬, কুপার ১/৭, সাব্বির ০/৪)।
ফল: কুমিল্লা ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: নুয়ান কুলাসেকারা (কুমিল্লা)।
আগের  ওভারে পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহর উইকেট, এবার বোল্ড রনি তালুকদার। দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কার পাওয়ার পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বাঁহাতি  পেসার আবু হায়দারের উদ্‌যাপনটাও হলো দেখার মতো l প্রথম আলো