সর্বশেষ আভডেট

BPL পয়েন্ট তালিকা

গত ২৭ নবেম্বর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল (BPL) প্রথম বিভাগের খেলা শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় বিভাগের খেলা চট্রগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম বিভাগের পয়েন্ট তালিকা
Saturday, November 28, 2015

তামিমকে সুবিচারের আশ্বাস,আল আমিন ও শহীদকে জরিমানা

সিলেট সুপার স্টারসের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন, পেয়েছেন ৫ উইকেট। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের পরই আল আমিন পেলেন শাস্তি। অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের কারণে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বরিশাল বুলসের পেসারকে। সিলেটের পেসার মোহাম্মদ শহীদকেও জরিমানা করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।
সেদিনের সেই ঘটনা নিয়ে কথা বললেন বিসিসি সভাপতিও। ছবি: প্রথম আলো
ঘটনা ঘটেছিল পরশু বরিশালের ইনিংসের শেষ দিকে। শেষ উইকেট হিসেবে আউট হওয়ার পরই বোলার মোহাম্মদ শহীদের সঙ্গে লেগে গিয়েছিল আল আমিনের। একপর্যায়ে আম্পায়ার এসে থামান দুজনকে। এ ঘটনায় আল আমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ হাজার ও শহীদকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটি। বিসিবি জানিয়েছে, লেভেল-২ পর্যায়ের অপরাধে দুজনকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চিটাগং ভাইকিংস অধিনায়ক তামিম ইকবালের ঘটনায় আবারও দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বিসিবি। তামিমের সঙ্গে মাঠে সিলেট সুপার স্টারসের মালিকের দেখা হওয়ার ঘটনায় বিস্মিত বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান, ‘তামিমের অভিযোগটা আমরা পেয়েছি। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা তদন্ত করছি। আসলে ওই ঘটনাটা ঘটারই কথা নয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিপক্ষ দলের অধিনায়কের সঙ্গে কোনো দলের মালিকের এভাবে দেখাই হওয়ার কথা নয়। দেখাটা হলো কীভাবে? আকসুর নিয়মেই এটা তারা কোনোভাবে পারে না। তদন্ত চলছে। পুরো প্রতিবেদন আমরা পেয়ে যাব।’
প্রতিবেদন পাওয়ার পর কী ধরনের শাস্তি কিংবা আদৌ শাস্তি হবে কি না, নানা প্রশ্নই ভাসছে বাতাসে। তবে বিসিবি সভাপতি আশ্বস্ত করছেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পাবেন দোষীরা, ‘তামিমের অভিযোগ সত্য হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। তামিমের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দুই পক্ষের কাছ থেকেই অভিযোগ পেয়েছি। যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সবাইকেই কমিটির কাছে ঘটনা জানাতে বলেছি।
Thursday, November 26, 2015

মাশরাফিদের দ্বিতীয় জয়

আল আমিনের হ্যাটট্রিকসহ ৫ উইকেট আগের দিন ১০৮ রানের পুঁজিকেও নিরাপদ করে তুলেছিল। টানা দ্বিতীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বরিশাল বুলস। কিন্তু কাল আর তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি আল আমিনের মতো কেউ।
৮৯ রানে অলআউট হওয়ার পরিণতি যা হওয়ার তাই হলো-কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ম্যাচ জিতে গেল ৮ উইকেটে। তবে লো স্কোরিং ম্যাচেরও প্রায় পুরো আয়ু পাওয়াটা এবারের বিপিএলের বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ম্যাচ জিততেও কুমিল্লাকে খেলতে হলো ১৮ ওভার পর্যন্ত!
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের পেসার নুয়ান কুলাসেকারা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন বরিশাল বুলসের ভিত্তি। টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন শাহরিয়ার নাফীস ও ব্রেন্ডন টেলরের উইকেট। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ২২ রান করা কেভন কুপারকেও এলবিডব্লু করে এই শ্রীলঙ্কানের বোলিং ফিগার ৩-১-৮-৩।
বরিশাল বুলসের ইনিংস অবশ্য তার আগেই নিবু নিবু। দলের ৮১ রানে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে কুপারের আউটের আগেই বাঁহাতি স্পিনার আসহার জাইদি, পেসার আবু হায়দার ও অফ স্পিনার সুনীল নারাইন মিলে সব অক্সিজেন শুষে নিয়েছিলেন তাদের। ১৬ রানে ৪ উইকেট নেওয়া জাইদি তো সাব্বির রহমান ও সেকুগে প্রসন্নকে পর পর দুই বলে ফিরিয়ে জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও।
৮৯ রান করতে বরিশাল খেলেছে ১৮.৩ ওভার। ম্যাচ জিতলেও কম যাননি কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরাও। মোহাম্মদ সামির দ্বিতীয় বলেই ইমরুল কায়েসের কাভার ড্রাইভে মারা বাউন্ডারিটা দেখে মনে হয়েছিল ম্যাচ শেষ করতে বেশি সময় নেবে না তারা। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, ততই শ্লথ হয়েছে কুমিল্লার ইনিংসের গতি। ব্যাটসম্যানদের রান-বলের হিসাবও সেটি বলবে। সর্বোচ্চ ৩১ রান করা মাহমুদুল হাসান খেলেছেন ৪৩ বল, মারলন স্যামুয়েলস ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন ৩৮ বল খেলে। তারপরও জয় জয়-ই। প্রথম ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হারের পর মাশরাফি বিন মুর্তজার দলের এটি টানা দ্বিতীয় জয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বরিশাল বুলস: ১৮.৩ ওভারে ৮৯ (শাহরিয়ার ৩, রনি ১৭, টেলর ০, মাহমুদউল্লাহ ৯, সাব্বির ১০, নাদিফ ৭, প্রসন্ন ০, কুপার ২২, তাইজুল ৩, সামি ৬, আল আমিন ০*; মাশরাফি ০/২২, কুলাসেকারা ৩/৮, নারাইন ১/২১, হায়দার ২/২১, জাইদি ৩/১৬)। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস: ১৮ ওভারে ৯০/২ (ইমরুল ১৩, মাহমুদুল ৩১ , স্যামুয়েলস ২৩*, শুভাগত ১২*; সামি ০/১১, আল আমিন ১/২৯, তাইজুল ০/১২, প্রসন্ন ০/১৬, কুপার ১/৭, সাব্বির ০/৪)।
ফল: কুমিল্লা ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: নুয়ান কুলাসেকারা (কুমিল্লা)।
আগের  ওভারে পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহর উইকেট, এবার বোল্ড রনি তালুকদার। দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কার পাওয়ার পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বাঁহাতি  পেসার আবু হায়দারের উদ্‌যাপনটাও হলো দেখার মতো l প্রথম আলো
Thursday, November 26, 2015

সাকিবের কাছে হার মানতে হল ঢাকার

জিতেও যেন মন ভরল না সাকিব আল হাসানের। আরেকটু যদি জমত ম্যাচটা! আরেকটু উত্তেজনার বুদ্বুদ, আরেকটু রোমাঞ্চের শিহরণ যদি ছড়াত! টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬৯ রানে জিতলে মজা থাকে নাকি! মোসাদ্দেককে তালুবন্দী করার পর সতীর্থ সৌম্য সরকারের সঙ্গে ফিল্ডার সাকিব আল হাসানের উদ্‌যাপন। রংপুর রাইডার্স অলরাউন্ডার সাকিবের কাছেই বিপিএলে কাল হেরে গেছে ঢাকা ডায়নামাইটস l প্রথম আলো
জিততে হবে শেষ ওভারে, ঘাড়ের ওপর প্রতিপক্ষের তপ্ত নিশ্বাসটা বোঝা যাবে। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে ঢোকার আগে রংপুর রাইডার্স অধিনায়কের স্বগতোক্তি, ‘এটাই বোধ হয় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে একপেশে ম্যাচ হলো।’
কালকের আগ পর্যন্ত হওয়া ছয় ম্যাচের স্কোরকার্ডও দিচ্ছে এই সাক্ষ্য। ১ রানে ফলাফল নিষ্পত্তি হয়েছে দুই ম্যাচে। ওই দুটি ম্যাচ ছাড়াও শেষ ওভার পর্যন্ত দুদিকেই খেলা ঝুলে ছিল আরও তিন ম্যাচে। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সও শেষ বলে জিতেছে। একটার পর একটা শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ দেখে আর সবার মতো হয়তো ‘রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা’র নেশা পেয়ে বসেছিল সাকিবকেও। সেই নেশাটা ছুটিয়ে দেওয়ার দায়দায়িত্ব সাকিবই বয়ে নিতে জানেন একার কাঁধে।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন। পরের ম্যাচে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন শুধু বল হাতে। আর কাল জ্বলে উঠলেন সত্যিকারের অলরাউন্ডারের মতোই। ব্যাটিংয়ে ১৫ বলে অপরাজিত ২৪, ফিল্ডিংয়ে দুটি ক্যাচের একটি তো দুর্দান্ত হলো, বল হাতে ১৬ রানে ৪ উইকেট। একই সঙ্গে তিন বিভাগেই এমন ঔজ্জ্বল্য জাতীয় দলেও অনেক দিন ছড়াননি সাকিব। প্রথম দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের একটা ব্যাখ্যা অবশ্য তিনি দিয়েছেন। দীর্ঘ বিমান ভ্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেননি। একটু অসুস্থতা এখনো আছে। সাকিবের আফসোস, ‘শরীরে এখনো শক্তি আসেনি। আজ (কাল) ১৫টা বল খেলেছি, এর মধ্যে ৩-৪টি মারার বল ছিল। কিন্তু মারতে পারিনি।’
রংপুরের ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে ফিফটি শুধু ওপেনার লেন্ডল সিমন্সের (৫১)। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ৩৮ রানের ওপেনিং জুটির পর মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আরও ৫৬ রান যোগ করেছেন এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান। তবে শেষ দিকে দলের রানটা দ্রুতই বাড়িয়ে নিতে পারায় সাকিবের আফসোস একটু কমার কথা। ১৬তম ওভারে ইয়াসির শাহকে লং অন দিয়ে ছক্কা মারার পরের বলেই নাসির জামশেদের হাতে ক্যাচ দেন থিসারা পেরেরা। ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তখন রংপুরের। স্কোরবোর্ডে এরপর যোগ হওয়া ৩৭-এর ২৪ রানই সাকিবের ব্যাট থেকে। তৃতীয় ম্যাচে রংপুরের দ্বিতীয় জয়ের পথটা আরও চওড়া করে দেন তিনিই।
প্রথম ম্যাচে পাঁচে আর দ্বিতীয় ম্যাচে তিনে ব্যাট করা সাকিবের কাল ৬ নম্বরে নামাটা ছিল কৌতূহলোদ্দীপক। তাহলে কি শেষ দিকে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা ছিল? সাকিবের ব্যাখ্যা অবশ্য ভিন্ন, ‘ওদের মুস্তাফিজ আছে, ওর বল করার কথা শেষ দিকে। এ জন্যই থিসারাকে আগে নামানো, যাতে মুস্তাফিজকে ওরা আগে বোলিংয়ে আনে। আমাদের পরিকল্পনা সফলই হয়েছে।’ মিসবাহ-উল-হককে খেলানো হয়নি নাকি পুরোপুরিই দলের সমন্বয়ের কারণে।
সাকিবের সেই সমন্বয়ের সামনে পুরোপুরিই অসহায় লাগল দ্বিতীয় ম্যাচেই হারের দেখা পাওয়া ঢাকা ডায়নামাইটসকে। ব্যাটিংয়ে একবারের জন্যও মনে হয়নি রংপুরকে তারা হারাতে পারে। অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারার ২৯-ই দলের ১০৭ রানে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত অবদান। ঢাকার ব্যাটসম্যানদের জন্য সান্ত্বনা হতে পারে সাকিবের কথাটা। ঢাকার প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণ হিসেবে ধীরগতির উইকেটের ওপর দায় চাপিয়ে গেছেন ওপেনার শামসুর রহমান। রংপুরের অধিনায়কও সমর্থন করলেন তাঁকে, ‘প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ হওয়ায় উইকেট প্রস্তুত করার পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন না কিউরেটররা। দিন দিন তাই উইকেট ক্লান্ত হচ্ছে, মন্থর হচ্ছে। বল নিচু হচ্ছে।’ শামসুরকে বোল্ড করা সাকিবের বলটাও অনেকটা ওরকমই ছিল। পরের তিন উইকেট তুলতেও তিনি কাজে লাগিয়েছেন পিচের চরিত্র।
সঙ্গে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের চরিত্রও কি আরেকবার দেখালেন না সাকিব আল হাসান?
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রংপুর রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৭৬/৬ (সিমন্স ৫১, সৌম্য ১৮, মিঠুন ৩৪, পেরেরা ২৭, স্যামি ৩, সাকিব ২৪*, আল আমিন ৩, জহুরুল ৭*; নাসির ০/১৩, ফরহাদ রেজা ০/২৪, মুস্তাফিজ ২/৩৮, হাসান ১/৪১, মোশাররফ ১/৩১, ইয়াসির ২/২৪)। ঢাকা ডায়নামাইটস: ১৯.৪ ওভারে ১০৭ (জামশেদ ১১, শামসুর ২, সাঙ্গাকারা ২৯, মোসাদ্দেক ৩, টেন ডেসকাট ৮, নাসির ১৫, হাসান ১০, ফরহাদ রেজা ১ , ইয়াসির ১২, মোশাররফ ৩, মুস্তাফিজ ১*; সাকিব ৪/১৬, সেনানায়েকে ০/২১, আরাফাত ২/১৫, আল আমিন ০/১৩, স্যামি ০/১০, পেরেরা ৩/২৫, জায়েদ ১/১)।
ফল: রংপুর ৬৯ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সাকিব আল হাসান (রংপুর)।
Thursday, November 26, 2015

এবার ক্রিকেটে অনন্ত জলিল

অনন্ত জলিল
ঢাকাই ছবির আলোচিত নায়ক অনন্ত জলিলকে এবার দেখা যাবে ক্রিকেট মাঠে। তবে খেলোয়াড় হিসেবে নয়, অনন্ত মাঠে থাকবেন একটি ক্রিকেট দলের সমর্থক ও খেলোয়াড়দের উৎসাহ-অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য। তিনি জানিয়েছেন, স্ত্রী চিত্রনায়িকা বর্ষার অনুরোধেই ক্রিকেট দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন তিনি। আসন্ন বিপিএলে (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে দর্শককে উজ্জীবিত করার মিশনে নামতে দেখা যাবে এবার অনন্ত জলিলকে। সম্প্রতি অনন্ত দলটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ‘শুভেচ্ছাদূত’ হিসেবে। অনন্তের সঙ্গে থাকবেন বর্ষা।
গতকাল বৃহস্পতিবার অনন্ত বলেন, ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাফিসা কামালের সঙ্গে বর্ষার ভালো বন্ধুত্ব। আর এ কারণেই নাফিসার ইচ্ছা ছিল আমরা যেন বিপিএলে তাঁদের দলের হয়ে কাজ করি। বর্ষা বিষয়টি জানানোর পর আমিও আগ্রহী হই।’
শুভেচ্ছাদূত হিসেবে দলটি নিয়ে অনন্ত তাঁর পরিকল্পনার কথা জানালেন এভাবে, ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পক্ষে প্রচারের জন্য যা কিছু করার দরকার, সেটা অবশ্যই করব।’
Monday, November 09, 2015

বি পি এল-১৫ এ টিম কোচ B P L-15 All Team Coach

 বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ বি পি এল-১৫ এ প্রত্যেক ফ্রাঞ্জাইজিই নিজেদের সঙ্গে পাল্লা রেখে তাদের দলের কোচ এবং ম্যানেজার নিয়োগ দিয়েছে। আর তাতে দেশী কোচের পাশাপাশি বেদেশী কোচ ও রয়েছে। তবে টীম ম্যানেজারের দায়িত্ব পাওয়া সকলেই বাংলাদেশী।

https://pbs.twimg.com/media/BAqf25YCcAA2iuB.jpg:large
ঢাকা ডায়নামাইটস
কোচ - মিকি আর্থার (সাবেক
অষ্ট্রেলিয়ার কোচ)
ম্যনেজার - আতাহার আলি খান
.
বরিশাল বুলস
কোচ-গ্রাহাম জেভিয়ার ফোর্ড
(সাবেক সাউথ আফ্রিকা
ও শ্রীলংকা কোচ)
.
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস
কোচ - মোঃ সালাহউদ্দিন
(সাবেক বাংলাদেশের
এসিসটন্ট কোচ)
ম্যনেজার - খালেদ মাসুদ পাইলট
.
চিটাগং ভাইকিংস
কোচ - রবিন সিং (সাবেক
ইন্ডিয়ান খেলোয়াড়)
.
সিলেট সুপারষ্টার
কোচ - সারোয়ার ইমরান (সাবেক
বাংলাদেশের কোচ)
.
রংপুর রাইর্ডারস
কোচ - শেন জার্গেনশেন
(সাবেক বাংলাদেশের কোচ)
Friday, October 30, 2015