ফ্র্যাঞ্চাইজি পাবার পর থেকেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের টিম
ম্যানেজমেন্টের ভাবনায় ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজা। আইকন লটারিতে দেশের ওয়ানডে
অধিনায়ককে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে দলটির। কুমিল্লার নেতৃত্ব পাওয়াও তার
অবশ্যম্ভাবী ধরে নেওয়া যায়।
অধিনায়ক মনোনীত হলে মাশরাফির জন্য সুযোগ এবার হ্যাটট্রিকের। প্রথম দুই বিপিএলেই তার নেতৃত্বে শিরোপা জিতেছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স।
দেশের
ক্রিকেটারদের সঙ্গে কুমিল্লার বিদেশি খেলোয়াড়দের সংগ্রহ দারুণ সমৃদ্ধ। টপ
অর্ডারে আহমেদ শেহজাদের সঙ্গে আছেন ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। মিডল অর্ডারে
শ্রীলঙ্কার লাহিরু থিরিমান্নের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারলন স্যামুয়েলস ও
পাকিস্তানের শোয়েব মালিক। আছেন দেশের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ধীমান ঘোষ।
দলটির
উল্লেখযোগ্য দিক স্পিনিং অলরাউন্ডার। শোয়েব মালিকের সঙ্গে আছেন আরও দুই অফ
স্পিনিং অলরাউন্ডার মাহমুদুল হাসান ও শুভাগত হোম। পেস বোলিং অলরাউন্ডার
আছেন গ্ল্যাডিয়েটর্সে মাশরাফির সতীর্থ ড্যারেন স্টিভেন্স ও দেশের আরিফুল
হক। আন্দ্রে রাসেলকে পাওয়া যাবে হয়ত স্রেফ কয়েকটি ম্যাচ। তবে এই ম্যাচগুলোর
ভাগ্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে ক্যারিবিয়ান এই অলরাউন্ডারের।
স্পিনে
টি-টোয়েন্টির অন্যতম বড় নামকে দলে ভেড়াতে পেরেছে তারা, সুনিল নারাইন! সঙ্গে
দুই বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম ও নাঈম ইসলাম জুনিয়র।
পেস
আক্রমণে খুব বড় নাম নেই। তবে মাশরাফির সঙ্গে নুয়ান কুলাসেকেরা ও ক্রিশমার
সান্টোকি এই কন্ডিশনে হতে পারেন দারুণ কার্যকরী। গতির প্রয়োজনে আছেন তরুণ
বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানন্স:
দেশি: মাশরাফি
বিন মুর্তজা (আইকন), লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, শুভাগত হোম চৌধুরী, সানজামুল
ইসলাম, কামরুল ইসলাম, আরিফুল হক, মাহমুদুল হাসান, নাঈম ইসলাম জুনিয়র, আবু
হায়দার, ধীমান ঘোষ।
বিদেশি: শোয়েব মালিক, সুনিল
নারাইন, মারলন স্যামুয়েলস, ক্রিশমার সান্টোকি, আহমেদ শেহজাদ, ড্যারেন
স্টিভেন্স, নুয়ান কুলাসেকারা, আন্দ্রে রাসেল, লাহিরু থিরিমান্নে।