প্লেয়ার্স বাই চয়েজ পদ্ধতিতে এবার ক্রিকেটারদের দলে ভিড়িয়েছে বিপিএলের
ছয় দল। খসড়ায় থাকা বিদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যে ১৯ জনকে এ পদ্ধতিতে দলে
নিশ্চিত করেছে ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি।
বৃহষ্পতিবার প্লেয়ার্স বাই চয়েজ পদ্ধতিতে স্থানীয় ক্রিকেটারদের তিন
রাউন্ডে শেষে আসে বিদেশিদের পালা। প্রথম বিদেশি হিসেবে দল পান ইংল্যান্ডের
ক্রিস জর্ডান। তাকে দলে নেয় সিলেট সুপার স্টার্স। তবে তুলনামূলক ভাবে
শ্রীলঙ্কান ও পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দিকেই ঝোঁক বেশি ছিল
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর।চট্টগ্রাম ভাইকিংস তাদের দলে জীবন মেন্ডিস, সাঈদ আজমল ও দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার রবিন পিটারসেনকে রেখেছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৪ বিদেশীকে দলে ভেড়ায়। এরা হলেন লঙ্কান ক্রিকেটার থিরিমান্নে, কুলাসেকারা, উইন্ডিজ অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল ও ইংল্যান্ডের স্টিভেন্স। ঢাকা ডায়নামাইটসে আছেন সোহেল খান, ডেভিড মালান ও শাহজাইব হাসান। রংপুরের তিন বিদেশী হলেন মোহাম্মদ নবী, সচিত্রা সেনানায়েকে ও ওয়াহাব রিয়াজ। সামি, ইমাদ ওয়াসিম ও সেকুজে প্রসন্ন- এ তিন বিদেশিকে দলে রেখেছে বরিশাল বুলস। জর্ডান ছাড়া জশ কব ও সোহেল তানভীর খেলবেন সিলেটের হয়ে।
জায়গা হল না দেশী খেলোয়ার জবায়ারের
প্লেয়ার্স বাই চয়েজ পদ্ধতিতে দল গঠন করেছে বিপিএলের তৃতীয় আসরে অংশগ্রহন
করতে যাওয়া ছয় দল। তবে অবাক করার মতো খবর হলো, কোনো দলেই ডাক পান নি জাতীয়
দলের লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন।
ধারাবাহিকভাবে একে একে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা পছন্দের খেলোয়ারদের নিজ নিজ দলের
জন্য বাছাই করেন। লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় কোন দল আগে খেলোয়াড়
ডাকবে। একে একে ৫৭ স্থানীয় ক্রিকেটারকে দলে নেয় ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজি। কিন্তু
লেগ স্পিনার জুবায়েরের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল।জুবায়েরের মতো পেসার রবিউল ইসলাম শিবলুর প্রতিও আগ্রহ দেখায়নি কেউ। তাই “টেস্ট বিশেষজ্ঞ” হিসেবে পরিচিত রবিউলকে গত দুই আসরের মতো এবারও বিপিএলে থাকতে হবে দর্শক হিসেবে। বাঁহাতি স্পিনার সোহরাওয়ার্দি শুভও দল পাননি। এর আগে এ স্পিনার সিলেট রয়্যালসের জার্সি চাপিয়ে মাঠে নামেন।
টি-২০ ফরম্যাটের জন্য পরিপক্ব ক্রিকেটার অলক কাপালিও ডাক পাননি কোনও দলে।